রোদন ভরা এ বসন্ত – হুমায়ূন আহমেদ

রোদন ভরা এ বসন্ত – হুমায়ূন আহমেদ

Your rating: 0
10 1 vote

রোদন ভরা এ বসন্ত pdf বাংলা বই। রোদন ভরা এ বসন্ত – হুমায়ূন আহমেদ এর লেখা একটি বাংলা জনপ্রিয় বই। আমাদের টিম তার “রোদন ভরা এ বসন্ত” বইটি সংগ্রহ করেছি এবং আপনাদের জন্য হুমায়ূন আহমেদ (Humayun Ahmed) এর অসাধারণ এই অসাধারণ বইটি শেয়ার করছি  আপনারা খুব সহজের “রোদন ভরা এ বসন্ত” বইটি ডাউনলোড করতে পারবেন অথবা অনলাইনেই পড়ে ফেলতে পারবেন যে কোনো মুহূর্তে।আপনার পছন্দের যে কোনো বই খুব সহজেই পেয়ে যাবেন আমাদের সাইটে । ৯২ পাতার রোদন ভরা এ বসন্ত বাংলা বইটি (Bangla Boi) স্ক্যন কোয়ালিটি অসাধারণ। বইটি প্রথম প্রকাশিত হয় ২০০৩ সালে এবং বইটি প্রকাশ করে অনন্য।

বইয়ের বিবরণ

  • বইয়ের নামঃ রোদন ভরা এ বসন্ত
  • লেখকঃ হুমায়ূন আহমেদ
  • প্রকাশিতঃ মার্চ ২০০৩
  • প্রকাশকঃ অনন্য
  • সাইজঃ ০২ এমবি
  • ভাষাঃ বাংলা (Bangla/Bengali)
  • পাতা সংখ্যাঃ ৯২ টি
  • বইয়ের ধরণঃ উপন্যাস
  • ফরম্যাটঃ পিডিএফ (PDF)

রোদন ভরা এ বসন্ত বই রিভিউঃ

হুমায়ূন আহমেদ এর রোদন ভরা এ বসন্ত বাংলা বইটি সম্পুর্ণ ফ্রীতে ডাউনলোড এবং পড়তে পারবেন। আমরা হুমায়ূন আহমেদ এর রোদন ভরা এ বসন্ত বই এর পিডিএফ কপি সংগ্রহ করেছি এবং আপনাদের মাঝে তা শেয়ার করছি।

হুমায়ুন স্যার এর বই হাতে নিলেই নিজেকে নেশা গ্রস্থ মনে হয়। প্রতিটা পাতায় যেন কোন নেশা লেপটে থাকে। প্রতিটা পাতার প্রতিটা লাইন পড়তে ভালো লাগে। বই শেষ হয়ে গেলে মনে আর কয়েকটা লাইন লিখলে কি এমন ক্ষতি হতো? এমনটা সবার বই পড়তে গেলে হয়না।

নিচের লিংক থেকে ০৩ এমবির বইটি ডাউনলোড করে কিংবা অনলাইনে যেকোন সময় হুমায়ূন আহমেদ এর এই জনপ্রিয় উপন্যাস এর বইটি পড়ে নিতে পারবেন।

ডাউনলোড  /  অনলাইনে পড়ুন

আমি তখন গ্রামের স্কুলে নবম শ্রেণিতে পড়ি। কোন বিভাগে ভর্তি হব তা নির্ধারিত হয়ে গিয়েছিল পরিবার থেকেই, আমার কিছু বলার ছিল না তাতে। তাছাড়া জীববিজ্ঞান পড়তে ভালোই লাগত। আমাদের স্কুলটা দারুণ সুন্দর ছিল, বেশ বড় মাঠ, মাঠের পাশেই পুকুর, পুকুরের ওপারেই গার্লস স্কুল, তারা পুকুরের ওপাশ থেকে তাকিয়ে থাকত আর আমরা এপাশ থেকে, মাঝখানে সসীম পারাবার; মানে এক কথায় অপূর্ব।

এই অপূর্ব সময়ের মাঝেও কিন্তু চাঞ্চল্যকর একটা ঘটনা আমাদের সবাইকে নাড়িয়ে দিল। দশম শ্রেণীর বিজ্ঞান বিভাগের কৃতি ছাত্র লাবলু ভাই ফেল করে বসল টেস্ট পরীক্ষায়।

সারা গ্রামে বলতে গেলে একেবারে বিনা মেঘে সাইক্লোন বয়ে গেল।

লাবলু ফেল করেছে??? কীভাবে তা সম্ভব?

স্কুল কমিটির লোকেরা হায় হায় করতে লাগলেন, যে ছেলের এ প্লাস পাওয়ার কথা সেই ছেলে করেছে ফেল? গ্রামের মাতব্বরেরা চায়ের দোকানে এই নিয়ে আলাপ করতে লাগলেন কাপের পর কাপ উড়িয়ে।

লাবলু ভাই কিন্তু এসব ব্যাপারে একেবারে বুদ্ধ সেজে বসে থাকলেন, নির্বিকার- নির্লিপ্ত; শুধু তিনি দুষলেন আমাদের অঙ্কের শিক্ষক কাশেম স্যারকে। সে সময় আমাদের স্কুলের স্যারদের কাছে কেউ পড়ত না, সবাই যেত পাশের গ্রামের বিখ্যাত আমজাদ স্যারের কাছে অঙ্ক পড়তে (উদ্দেশ্য ম্যাট্রিকের প্র্যাক্টিক্যালে নাম্বার পাওয়া)। সবাই ধারণা করল নিশ্চয় কাশেম স্যারের কাছে প্রাইভেট পড়ে না দেখেই লাবলুকে তিনি ফেল করিয়েছেন।

সবাই আমার আর আমার বন্ধুর দিকে কেমন কেমন করে যেন তাকাতে লাগল (কেননা সে সময় আমরা এই দুইজনই মাত্র কাশেম স্যারের কাছে পড়তাম)। লাবলু ভাই আমাদের দিকে তাকিয়েও তাকাতেন না, ভাবখানা দেখে মনে হতো আমরাই যেন স্যারের কাছে বলে তাঁকে ফেল করিয়েছি। স্যারের বাড়িতে তখন মাঝ রাত্তিরে ঢিল পড়ে। লাবলু ভাই মনের দুঃখে পড়াশোনা ছেড়ে দিলেন। তখন শোনা গেল তিনি উপন্যাস লিখবেন। এবং বছর ঘুরতে না ঘুরতেই তিনি তা লিখেও ফেললেন। উপন্যাসের নাম, “বৈরী বসন্ত”।

প্রকাশ হতে না হতেই এই উপন্যাস আমাদের এবং আশপাশের দশ গ্রামে বেস্ট সেলারে পরিণত হল। গ্রামে গ্রামে সাড়া পড়ে গেল, সবার ঘরে ঘরে তখন এই বই, মুখে মুখে তখন এই বই নিয়ে আলোচনা। লাবলু ভাই সেই উপন্যাসে একেবারে আমাদের স্যারের নাম সহকারে নিজের সমগ্র জীবনকাহিনী তুলে ধরলেন, কীভাবে তিনি প্রেমে পড়েছিলেন স্যারের মেয়ের, কীভাবে তাঁকে ফেল করিয়েছে স্যার, এইসব ইতং বিতং নানান কথা। স্যার দুঃখ পেয়ে বললেন- “আমি ওকে পাশ করিয়ে দিলাম, কিন্তু ও যদি ম্যাট্রিক পাশ করতে পারে তখন আমার সাথে দেখা করতে বলিস। আমি নিজের ইচ্ছায় আমার মেয়ের বিয়ে ওর সাথে দিয়ে দেব”।

আফসোস, লাবলু ভাই আজ পর্যন্তও ম্যাট্রিক পাশ করতে পারেন নাই। তিনি এখন কাতার থাকেন।

বই বলতে তখন আমার কাছে কেবল ছিল গোটা বিশেক জাফর ইকবালের বই আর নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়ের টেনিদার সাথে কিছু কমিক্স; আর আমার বন্ধুর কাছে ছিল কে এম ফিরোজের লেখা , “ভালোবেসে কেউ সুখী হয় না” আর “ভালোবেসে ভূল করেছি” টাইপের উপন্যাসগুলো। এমন সময় শোনা গেল বান্ধবীর বাসায় বেশ কতকগুলো বই আছে। সেই বই আনতে যেয়ে কীভাবে নাজেহাল হয়েছিলাম সে গল্প তো আগেই করেছি। তো হুমায়ূন আহমেদের “রোদনভরা এ বসন্ত” বইটা যখন প্রথম দেখি তখন আমি আর আমার বন্ধু একে অপরের দিকে তাকিয়ে বলেছিলাম- “লাবলু ভাইয়ের বই থেকে চুরি করে নাম দিয়েছে হুমায়ূন আহমেদ”। কাহিনী যদিও মনে করেছিলাম এক কিন্তু ভেতরে দেখি “বৈরী বসন্ত”-এর মত ততটা চিত্তাকর্ষক নয়। অর্থাৎ সেসময় পড়ে বেশ হতাশ হয়েছিলাম আর কি।

ইফতেখার ভাই খুব সুন্দর একটা পোস্ট দিয়েছিলেন “হুমায়ূন আহমেদের গল্প” নিয়ে। হুমায়ূন আহমেদের লেখা নিয়েও যে এভাবে ভাবা যায় তা হয়তো এ জীবনে ভাবা হত না সেই পোস্ট না পড়লে। অনেকসময় হয় না, কাছের জিনিসকে আমরা দেখি না, চোখের সামনে তবু অদেখা। “দেখা হয় নাই চক্ষু মিলিয়া” টাইপ বলেও তো অনেক কিছু থাকে।
অনেকদিন পর আবার পড়লাম, “রোদনভরা এ বসন্ত” উপন্যাসটি। আমি হুমায়ূন আহমেদের কিছু কিছু বইকে “ওল্ড ওয়াইন ইন আ নিউ বটল” বলে চিহ্নিত করি। এই উপন্যাসটিও সেই ক্যাটাগরির মাঝে পড়ে। চরিত্রগুলোর নাম পাল্টে আলাদা উপন্যাস বলে চালানো। সেই একই বেকার- রোগেভোগা- প্রেমিক যুবক, বারসাত; সেই একই বুদ্ধিমতী-চঞ্চল- মায়াবতী প্রেমিকা, মরিয়ম বা ঐন্দ্রিলা বা মীরু। মীরু ভালোবাসে বারসাতকে। বারসাতও ভালোবাসে মীরুকে। কিন্তু সমস্যা হয় নায়ক বেকার হওয়াতে। উপন্যাসটি বেশ রোম্যান্টিক।

হুমায়ূন আহমেদের প্রেমের উপন্যাসে প্রেমের বড় অভাব। বাঁধভাঙা প্রেমের উচ্ছ্বাস নেই তাঁর কোন প্রেমের উপন্যাসে। নরনারীর শারীরিক প্রেম তিনি দেখান না। তাঁর চাইতে তিনি দেখান মায়া, মমতা, শ্রদ্ধা, একে অপরের প্রতি টান এই সমস্ত জিনিস। শরীরী চাহিদাকে সবসময় গৌণ করে দেখিয়েছেন তিনি। উল্লেখ করতে হয়, “চৈত্রের দ্বিতীয় দিবস” বইয়ের কথা। সেখানে নায়িকা নায়কের ছোঁয়া পাবার জন্যে এক ধরণের অভিনয় করে, বলে, “আমার কপালে হাত দিয়ে দেখ তো আমার জ্বর আছে কি না?” এই যে শরীরের স্পর্শ নিচ্ছে তাতেও কিন্তু এক ধরণের নাটকীয়তা আছে। দীর্ঘদিন ধরে প্রেম করতে থাকা নরনারীরা এ ধরণের নাটক করে কি না তা আমার জানা নেই। আবার “কোথাও কেউ নেই”-এর মুনার সাথে তাঁর প্রেমিক যখন জোর করে শরীরী চাহিদা চায় তখন তিনি তা বাঁধা দেন। কেমন যেন এক লজ্জা। এ কি তাঁর মধ্যবিত্ত মানসিকতার প্রকাশ নাকি সময়ের সংস্কার তিনি ধরে রাখতে চেয়েছেন তাঁর লেখায়?
উপন্যাসটি কাল্পনিক সংলাপে বড় বেশি মুখর। নায়িকা কল্পনা করছে, নায়ক কল্পনা করছে, সবার কল্পনাই কেমন যেন একটা তরলতায় ভরা, চিন্তাশীলতার ছাপ সেখানে অনুপস্থিত। মানা গেল কল্পনায় আমরা খুব একটা শক্ত জিনিস চিন্তা করি না, তবু সিরিয়াস বিষয় নিয়ে চিন্তা করার সময় অন্তত সিরিয়াসভাবেই তো চিন্তা করি, তাই নয় কি? মীরু কল্পনায় নায়ক বারসাতের সাথে বাবা মায়ের ইন্টার্ভিউয়ের কথাবার্তায় যেমন তরলতার আশ্রয় নেয় ঠিক তেমনইভাবে ফুপুর সাথে তাঁর পালিয়ে বিয়ে করার ব্যাপারে কথা বলার সময়ে সেই একই তরলভাবে চিন্তা করে।

হুমায়ূন আহমেদ মানুষজনের বিভিন্ন নাম দিতে পছন্দ করতেন। বৃক্ষমানব, দয়াময়ী এই ধরণের অসংখ্য নাম তিনি তাঁর চারপাশে থাকা মানুষজনকে দিয়েছেন। এই নাম দেয়া ব্যাপারটা এই বইতেও চলে এসেছে, বেশ প্রকটভাবে। উপন্যাসে বিভিন্ন নামের ছড়াছড়ি- “পবিত্র মহিলা”, লাথি সহ্য করে দেখে নাম “লাথি কন্যা”, কথায় কথায় তাল দেয় বলে “তালেবান মা”, ঘুম পায় বলে সোফার নাম “ঘুম সোফা”, প্রতিজ্ঞা করে বলে নাম “প্রতিজ্ঞাবতী”, চোখে জল এসেছে বলে নাম “অশ্রুবতী”, “ডুবন্ত কন্যা”, “ভাসন্ত কন্যা”, “অক্সিজেন সেন্টার” এই ধরণের নামে পুরো উপন্যাস জর্জরিত।
Myrphy’s Law এখানেও দারুণ ভাবে কাজে লাগিয়েছেন হুমায়ূন আহমেদ-
“ ভেজার উদ্দেশে বৃষ্টিতে নামলেই বৃষ্টি কেন জানি কমে যায়”।
“অসুস্থ অবস্থায় কটকটা হলুদ রঙ চোখে লাগে।”
“ জ্বর বেশি হলে মানুষের মাথায় উদ্ভট চিন্তা বেশি আসে”।

আমার বন্ধু তখন সদ্য কবিতা লেখা আরম্ভ করেছে। প্রতিদিন রাশি রাশি কবিতা লিখে এনে আমাকে দেখায়। আমি বাহবা দেই। কবিতার তখন কিই বা বুঝি? একবার চাচাতো বোনকে দেখালাম তাঁর লেখা বিখ্যাত কবিতা- “বিদায়বেলা”, সেই কবিতার একটা অংশে প্রেমিকা চলে যাচ্ছে প্রেমিককে ছেড়ে। এই অংশ পড়ে আপা হেসেই খুন। আমরা দুজন দুজনার মুখের দিকে তাকাই। কাহিনী কি? তখন আপা দেখায় এই লাইনটি- “সে আমারে ছাড়ি চলে যাবির চায়”। আমরা বুঝতে পারি না, ঠিকই তো আছে, আপা হাসে কেন? আপা তখন বলে, “তোরা বুঝতে পারবি না, এখানে তোর লেখা আঞ্চলিকতায় দুষ্ট। “যাবির চায়” বলে কোন শব্দ হয় না, যাবার চায় বললেও হতো, যেতে চায় বললেও হতো, কিন্তু “যাবির চায়” এটা আঞ্চলিকতায় দুষ্ট। তোর চোখ এড়িয়ে গেছে কারণ তুই এভাবে বলে অভ্যস্ত তাই এভাবেই লিখে দিয়েছিস”। হুমায়ূন আহমেদের লেখাতেও আঞ্চলিকতা বেশ লক্ষণীয়। লেখক লিখেছেন- “বৃষ্টি বাদলার সময় মাছি উড়ে না”। আসলে এখানে “ওড়ে না” শব্দটাই যথোপযুক্ত কারণ “উড়ে” একটি অসমাপিকা ক্রিয়া কিন্তু লেখকের আঞ্চলিকতায় এই শব্দটা “উড়ে না” হয়ে গিয়েছে। নেত্রকোনা ময়মনসিংহের লোকেরা “ও”-কে “উ”-এর মতন বলে অভ্যস্ত।

পারসপেক্টিভের ব্যাপারে আরেকটু সতর্ক হলে বোধ হয় ভালো হতো। উপন্যাসের এক জায়গায় দেখা যায় নায়িকা তাঁর ফুপুর ঠিক করে দেয়া পাত্রের সাথে টেলিফোনে কথা বলছে, দৃশ্যটা দেখানো হচ্ছে মরিয়মের পারসপেক্টিভে সেখানে হঠাৎ করে একটা লাইন এমন দেখা যায়। “নাসের জবাব দিচ্ছে না। তাকিয়ে আছে”। ব্যাপারটা একটু অন্যরকম হয়ে গেল। এটা মীরুর বয়ানে জানা সম্ভব না যে নাসের সাহেব তাকিয়ে আছেন নাকি চোখ বন্ধ করে কথা বলছেন।
“রোদনভরা এ বসন্ত” ট্রাজেডি হতে হতে বেশ ভালো রকমের এক রোমান্টিকতায় মোড় নেয়া উপন্যাসের নাম। প্রায় সময়ই দেখা যায়, হুমায়ূন আহমেদ তাঁর উপন্যাসের চরিত্রগুলোর ব্যাপারে দয়ামায়হীন। কিন্তু এক্ষেত্রে বেশ দয়াশীলতার পরিচয় দিয়েছেন তিনি। পড়া শেষে সবার ভালো লাগবে এমন আশা করা যায়।

সবাইকে ধন্যবাদ।

আশা করছি, হুমায়ূন আহমেদ এর রোদন ভরা এ বসন্ত বইটি পড়ে আপনাদের ভালো লাগবে। হুমায়ূন আহমেদ (Humayun Ahmed) এর অন্যান্য বাংলা বই ডাউনলোড করতে আমাদের সাইট ভিজিট করুন আর রোদন ভরা এ বসন্ত বইটি আপনাদের কেমন লাগলো তা জানতে ভুলবেন না।

Similar titles

তিমির অবগুন্ঠনে – সৈয়দ শামসুল হক
মনোমুকুল – সমরেশ বসু
তিন মিতিন – সুচিত্রা ভট্টাচার্য
মেয়েটির নাম নারীনা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল
দুর্গেশনন্দিনী – বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
নাচনী – নিমাই ভট্টাচার্য
অবরোধ বাসিনী – বেগম রোকেয়া
বিশাখা, তোমার নামে – সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
রজনী – বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
কি পেলাম – কাসেম বিন আবুবাকার
ওঙ্কার – আহমদ ছফা
চলে যায় বসন্তের দিন – হুমায়ূন আহমেদ

Leave a comment

Name *
Add a display name
Email *
Your email address will not be published
Website