যারা বায়োবট – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

যারা বায়োবট – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

Your rating: 0
10 1 vote
what going on?

যারা বায়োবট pdf বাংলা বই। যারা বায়োবট – মুহম্মদ জাফর ইকবাল এর লেখা একটি বাংলা বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী এর বই।  তার “যারা বায়োবট ” বইয়ের একটি পিডিএফ (pdf) ফাইল ই বুক (eBook) আমরা অনলাইনে খুজে পেয়েছি এবং মুহম্মদ জাফর ইকবাল (Muhammed Zafar Iqbal) এর অসাধারণ বইটি আপনাদের মাঝে শেয়ার করছি। আপনারা যেকোন সময় বইটি আমাদের ওয়েব সাইট থেকে ডাউনলোড করে এবং অনলাইনে পড়তে পারবেন।  ৬৩ পাতার যারা বায়োবট বাংলা বইটি (Bangla Boi) একটি অধিক পঠিত গল্প যা ১৯৯৩ সালে দিব্যপ্রকাশ প্রথম প্রকাশ করে।

বইয়ের বিবরণ

  • বইয়ের নামঃ যারা বায়োবট
  • লেখকঃ মুহম্মদ জাফর ইকবাল
  • প্রকাশিতঃ ফেব্রুয়ারী ১৯৯৩ 
  • প্রকাশকঃ পার্ল পাবলিশার্স
  • সাইজঃ ০৩ এমবি
  • ভাষাঃ বাংলা (Bangla/Bengali)
  • পাতা সংখ্যাঃ ৬৩ টি
  • বইয়ের ধরণঃ বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী
  • ফরম্যাটঃ পিডিএফ (PDF)

মুহম্মদ জাফর ইকবাল এর যারা বায়োবট বাংলা বইটি সম্পুর্ণ ফ্রীতে ডাউনলোড এবং পড়তে পারবেন। আমরা মুহম্মদ জাফর ইকবালের  যারা বায়োবট বই এর পিডিএফ কপি সংগ্রহ করেছি এবং আপনাদের মাঝে তা শেয়ার করছি। মুহম্মদ জাফর ইকবালের অন্যান্য গল্প, উপন্যাস, কাব্যগ্রন্থ, কবিতার বই সমূহ পড়তে আমাদের সাইটে চোখ রখুন। নিচের লিংক থেকে ০৩ এমবির বইটি ডাউনলোড করে কিংবা অনলাইনে যেকোন সময় মুহম্মদ জাফর ইকবাল এর এই জনপ্রিয় বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী এর বইটি পড়ে নিতে পারবেন।

ডাউনলোড  /  অনলাইনে পড়ুন

এই বইয়ের কাহিনী রচিত হয়েছে বায়োবট নামের অসম্পূর্ণ এক প্রজাতিকে নিয়ে, যাদের অনুভূতি মানুষের মত হলেও শারিরীক গঠন যান্ত্রিক। বায়োবট হল বায়োলজিক্যাল রোবটের সংক্ষিপ্ত রূপ। এই বায়োবটের শুরুটা হয় খুব সাদামাটাভাবে। একটি দূর্ঘটনায় এক শিশু পঙ্গু হয়ে গেলে তার শরীরে প্রতিস্থাপন করা হয় কৃত্রিম হাত পা। একসময় দেখা গেল যে সত্যিকারের হাত-পায়ের তুলনায় কৃত্রিম হাত পা অনেক বেশি কর্মক্ষম। তখন বিপুলসংখ্যক মানুষ তাদের সত্যিকারের হাত পা কেটে সেখানে যান্ত্রিক হাতপা প্রতিস্থাপনে ব্যস্ত হয়ে পড়ল। শুধু তাইনা, আস্তে আস্তে পরিস্থিতি এমন হল যে শুধু মস্তিষ্ক ও প্রজনন অঙ্গ ছাড়া মানুষের বাকি সব অঙ্গপ্রত্যঙ্গ পাল্টে দেয়া হল যন্ত্রাংশ দ্বারা। ফটো সেলের চোখ বায়োবটের দৃষ্টিশক্তিকে দিয়েছে ইনফ্রারেড পর্যন্ত দেখার ক্ষমতা, ইলেকট্রনিক শ্রবণযন্ত্রের সাহায্যে তারা মেগা হার্টজ শব্দতরঙ্গও শুনতে সক্ষম, তাদের ঘ্রাণশক্তি শ্বাপদের চেয়েও প্রখর। এছাড়াও তাদের ফুসফুস, অগ্নাশয়, যকৃত, হৃদপিণ্ড, কিডনি জন্মের সময়ই অপসারণ করে সেখানে জুড়ে দেয়া হয় শক্তিশালী সব যন্ত্রাংশ। মানবজাতির একটি বৃহত্তর অংশ যখন বায়োবটে রূপান্তরিত হচ্ছে তখন অল্প কিছু মানুষ নিজেদের যান্ত্রিক খোলসে আবদ্ধ রাখতে আপত্তি জানায়। শুরু হয় দুই প্রজাতির মধ্যে এক শীতল সংঘর্ষ। আর সেই সংঘর্ষের প্রধান দুই প্রতিদ্বন্দ্বী বায়োবট ক্লডিয়ান ও মানুষ রুকাস। রুকাস নামটা অবশ্য কুনিলের দেয়া। কুনিলের সাথে রুকাসের পরিচয় দুই হাজারেরও বেশি সময়ের অতীতে। বায়োবটের কাছ থেকে পালানোর ক্ষেত্রে রুকাস অজ্ঞাত স্থানের পরিবর্তে বেছে নিয়েছে অজ্ঞাত সময়, চলে গেছে দুই হাজার তিনশ নয় বছর অতীতে। সেই অতীতের নিপীড়িত মানবগোষ্ঠীর চোখে তার অবস্থান ঈশ্বরের দূতের মত। কারণ তার মাধ্যমেই তারা পেয়েছে মানুষের মর্যাদা, রুখে দাড়াতে পেরেছে অত্যাচারী ট্রনের বিরুদ্ধে। কিন্তু রুকাসের মুক্তি কি আদৌ সম্ভব ক্লডিয়ান নামক বায়োবটের যান্ত্রিক থাবা থেকে?

আশা করছি, মুহম্মদ জাফর ইকবাল এর  যারা বায়োবট বইটি পড়ে আপনাদের ভালো লাগবে । মুহম্মদ জাফর ইকবাল (Muhammed Zafar Iqbal) এর অন্যান্য বাংলা বই ডাউনলোড করতে আমাদের সাইট ভিজিট করুন আর যারা বায়োবট বইটি আপনাদের কেমন লাগলো তা জানতে ভুলবেন না।

Similar titles

Leave a comment

Name *
Add a display name
Email *
Your email address will not be published
Website