দশজন – হুমায়ূন আহমেদ

দশজন – হুমায়ূন আহমেদ

Your rating: 0
7 1 vote
what going on?

দশজন pdf বাংলা বই। দশজন – হুমায়ূন আহমেদ এর লেখা একটি বাংলা জনপ্রিয় বই। আমাদের টিম তার “দশজন” বইটি সংগ্রহ করেছি এবং আপনাদের জন্য হুমায়ূন আহমেদ (Humayun Ahmed) এর অসাধারণ এই অসাধারণ বইটি শেয়ার করছি  আপনারা খুব সহজের “দশজন” বইটি ডাউনলোড করতে পারবেন অথবা অনলাইনেই পড়ে ফেলতে পারবেন যে কোনো মুহূর্তে।আপনার পছন্দের যে কোনো বই খুব সহজেই পেয়ে যাবেন আমাদের সাইটে । ৭২৯ পাতার দশজন বাংলা বইটি (Bangla Boi) স্ক্যন কোয়ালিটি অসাধারণ। বইটি প্রথম প্রকাশিত হয় ২০০৯ সালে এবং বইটি প্রকাশ করে অন্বেষা।

বইয়ের বিবরণ

  • বইয়ের নামঃ দশজন
  • লেখকঃ হুমায়ূন আহমেদ
  • প্রকাশিতঃ জুন ২০০৯
  • প্রকাশকঃ অন্বেষা
  • সাইজঃ ১৬ এমবি
  • ভাষাঃ বাংলা (Bangla/Bengali)
  • পাতা সংখ্যাঃ ৭২৯ টি
  • বইয়ের ধরণঃ সমগ্র
  • ফরম্যাটঃ পিডিএফ (PDF)

দশজন বই রিভিউঃ

হুমায়ূন আহমেদ এর দশজন বাংলা বইটি সম্পুর্ণ ফ্রীতে ডাউনলোড এবং পড়তে পারবেন। আমরা হুমায়ূন আহমেদ এর দশজন বই এর পিডিএফ কপি সংগ্রহ করেছি এবং আপনাদের মাঝে তা শেয়ার করছি।

সূচি পত্র

  • ইরিনা
  • একি কাণ্ড
  • আমার ছেলেবেলা
  • এবং হিমু
  • অনিল বাগচির একদিন
  • বহুব্রীহি
  • আমাদের সাদা বাড়ি
  • নবনী
  • বাঘবন্দি মিসির আলী
  • কালো যাদুকর

নিচের লিংক থেকে ১৬ এমবির বইটি ডাউনলোড করে কিংবা অনলাইনে যেকোন সময় হুমায়ূন আহমেদ এর এই জনপ্রিয় সমগ্র বইটি পড়ে নিতে পারবেন।

ডাউনলোড  /  অনলাইনে পড়ুন

হুমায়ূন আহমেদ এর উল্লেখযোগ্য ১০ টি উপন্যাস নিয়ে দশজন বইটি সম্পাদনা করা হয়েছে। ইরিনা হলো হুমায়ূন আহমেদ এর একটি জনপ্রিয় বিজ্ঞান কল্পকাহিনী। দ্বিতীয় বই একি কান্ড ও হুমায়ূন আহমেদ এর একটি বিজ্ঞান কল্পকাহিনী।

ইরিনা

বইয়ের নাম ইরিনা হলেও অন্যদের তুলনায় তার ভূমিকা নিতান্তই গৌণ। মূল রহস্যের সবচেয়ে প্রধান তিন চরিত্র হল – এক অমর বিজ্ঞানী, মূল কম্পিউটার সিডিসি আর গ্যালাকটিক ইনটেলিজেন্সের প্রধান অরচ লীওন। তবে আমার কাছে মীরের চরিত্রটাও বেশ ভাল লেগেছে, জটিল সব রহস্যের সমাধান আমরা তার কাছ থেকেই জানতে পেরেছি।

মীর ও ইরিনার পরিচয় হয় ভয়ঙ্কর এক পরিস্থিতির মুখোমুখি সময়ে একে অপরের বন্ধু হিসাবে। ইরিনাদের এমন একটা জায়গায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে যেখানে থেকে কোন মানুষ কখনো ফিরে আসেনি। ইরিনা বুঝতে পারছেনা কোন অপরাধে তাকে এখানে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। তবে ইরিনা তখনো জানতো না তাদের সামনে কত বড় বিপদ, আর তাদের সামনে অপেক্ষমান আছে এমন সব মানুষ যাদের মৃত্যু নেই।

একি কাণ্ড

সত্যিই অসাধারন কাহিনী |ছোটদের নিয়ে লেখা হলেও বড়রাও যে হাসবে তাতে কোন সন্দেহ নেই। গল্পের মূল চরিত্র টুকুন। টুকুনের জ্বালায় তা মা বাবা অতিষ্ঠ। তারা ভেবে পায়না একটা থ্রীতে পড়া বাচ্চা ছেলে কিভাবে মিথ্যা কথা এত গুছিয়ে সত্যের মত উপস্থাপন করতে পারে। তার মিথ্যা কথা নিয়ে বিচার হচ্ছে এমনকি ডাক্তার দেখিয়েও কোন লাভ হচ্ছেনা। টুকুন তার মিথ্যা চালিয়েই যাচ্ছে। তবে টুকুন কোন মিথ্যা বলছে না, ইদানিং তার সাথে একটা কাক গল্প করে এটাতে মিথ্যার কি থাকতে পারে আর এটা অবিশ্বাস করারই বা কি আছে বুঝতে পারেনা টুকুন।

প্রতি সকাল বেলায় কাক এসে তার সাথে বিভিন্ন দিক নিয়ে কথা বলে। এমনকি জন্মদিনেও কাক তাকে উপহার দিয়েছে ঝোং এর বাচ্চা। যেটাকে চোখে দেখা যায়না তবে সে কাগজ খায় কিন্তু সবার সামনে খায়না। টুকুন প্রমাণ পেয়েছে যে সত্যি সত্যি ঝোং এর বাচ্চা আছে। কিন্তু একদিন প্রচন্ড শাস্তির কোপে পড়ে টুকুন যখন স্বীকার করতে বাধ্য হয় ঝোং এর বাচ্চা এবং কাকের কথা বলা পুরাটাই তার কল্পনা ঠিক তখনই তার বাবা পা ঝোং এর বাবার অস্তিত্ব পায়। আশাকরি আপনাদের ভালো লাগবে।

আমার ছেলেবেলা

এক দুপুরে ভাত খেতে বসেছি। আমার মেজো মেয়ে কী-একটা দুষ্টুমি করায় মা’র কাছে বকা খেয়েছে। মুখ অন্ধকার করে ভাতের থালা সামনে নিয়ে বসে আছে। অনেক সাধাসাধি করেও তাকে খাওয়ানো যাচ্ছে না। শেষ পর্যন্ত আমি বললাম, মা, তোমাকে আমি আমার ছেলেবেলার একটা গল্প বলব। গল্প গুনে তুমি যদি হেসে ফেলো তা হলে কিন্তু ভাত খেতে হবে।
আমি গল্প শুরু করলম। সে প্রাণপণ চেষ্টা করতে লাগল না হাসার। শেষ পর্যন্ত খিলখিল করে হেসে ফেলে বলল, তুমি যদি তোমার ছেলেবেলাম আরেকটা গল্প বল তা হলে ভাত খাব।
আমি যে একসময় তাদের মতো ছোট ছিলাম এবং খুব দুষ্ট ছিলাম এই বিস্ময়ই তাদের জন্য ছেলেবেলাটা লিখে ফেললে কেমন হয়। বিশ-পঁচিশ পৃষ্ঠা লিখেও ফেললাম। আমার বড় মেয়ে খুব উৎসাহ নিয়ে পান্ডুলিপি আমার মাকে পড়াল। মা’র মুখ গম্ভীর হয়ে গেল। তিনি শীতল গলায় আমাকে বললেন, এইসব কী লিখেছিস? নিজের আত্মীয় স্বজনদের নিয়ে রসিকতা?
আমার ছোট বোনও পান্ডুলিপি পড়ল। সে কাঁদো কাঁদো গলায় বলল, আমাকে নিয়ে মকড়সা প্রসঙ্গে যে গল্পটা লিখেছ ঐটা কেটে দাও। লোকে কী ভাববে? পান্ডুলিপির খবর ছড়িয় পড়ল। আমার চোটমামা খুলনা থেকে চলে এলেন পড়ার জন্য। তিনি পড়লেন এবং কোনো কথা না বলে খুলনা চলে গেলেন। বুঝলাম তাঁর পছন্দ হয় নি। তবু একসময় শেষ করলাম এবং কোথাও কোনো ভুলটুল আছে কি না তা যাচাই করবার জন্য নিজেই নানিজানকে পড়ে শোনালাম।
নানিজান বললেন, অনেক ভুলভ্রান্তি আছে। এই ধর, তুই লিখলি তোর মা পাগল হয়ে গিয়েছিল। পাগল হবে কীজন্যে? মানুষ চিনত না। উলটাপালটা কথা বলত-এর বেশি তো কিছু না। এটাকে পাগল বলে?
আমি দীর্ঘনিশ্বাস ফেললাম। আমার মেজো মেয়ে বলল, তুমি মন খারাপ করছ কেন? লেকাটা তো মোটামুটি ভালোই হয়েছে। তবে তুমি একটা জিনিস লিখতে ভুলে গেছ।
কোন জিনিস মা?
ছেলেবেলায় দুধ আর ডিম খেতে তোমার কেমন খারাপ লাগত তা তো লেখনি।
দুধ ডিম তো মা তোমরা খাচ্ছ। আমরা খেতে পারিনি। এত পয়সা আমার বাবা-মা’র ছিল না।
মেজো মেয়ে দীর্ঘনিশ্বাস ফেলে বলল, আহা কী সুখের ছিল তোমাদের ছেলেবেলা!
সেই সুখের খানিকটা ভাগ আজকের পাঠক-পাঠিকাদের দেয়ার জন্যেই এই লেখা। ছেলেবেলা লেখার সময় শৈশবে ফিরে গিয়েছিলাম। যতক্ষণ লিখেছি গভীর আনন্দে হৃদয় আচ্ছন হয়ে ছিল। পেছনে ফিরে তাকানো যে এত আনন্দময় হবে কে জানত?
হুমায়ূন আহমেদ

এবং হিমু …

এ গল্পে রেশমা খালা না থাকলে নিঃসন্দেহে গল্পটি সাদামাটা রূপ ধারণ করতো। আমার এখন পর্যন্ত বেশ কয়েকবার পড়া হয়েছে! এখনও মাঝে মাঝে পড়ি। বিশেষ করে শেষের দিকে ইরা আর হিমুর মধ্যকার কথোপকথন এক ধরনের অন্যরকম শিহরনের জন্ম দেয়। আর রূপা চরিত্রটি… যেন প্রতিটি গল্পেই নিজের মতো! পছন্দনীয় অথচ এড়িয়ে যাওয়ার জন্য!

অনিল বাগচির একদিন

মুক্তিযুদ্ধের দিনগুলোর অনিশ্চয়তা, মানবিকতা, স্বপ্ন, সম্প্রীতি প্রভৃতি অণুষঙ্গকে সার্থকভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে এই শক্তিশালী উপন্যাসে। রীতিমত মন খারাপ করার মতো একটা বই। বেশ ভালোই লেগেছে।

অনিল বাগচী, হিন্দু। পিতা সুরেশ বাগচী ও বোন অতশীকে ছেড়ে সে চাকরিজীবী হিসেবে ঢাকার এক মেচে থাকে। ২৪ বছরের একজন যুবক হওয়া সত্তেও সে অসম্ভব ভীতু ধরনের একটি ছেলে। ভয় পাওয়ার বেশিরভাগ ঘটনাই অহেতুক। যেমন, ঘরে একা থাকা অবস্থায় দরজায় সাধারণ টোকা পড়লেও তার ভয়ে গলা শুকিয়ে কাঠ হয়ে যায়। মেচের এক প্রতিবেশী গফুর সাহেবের নিকট হঠাৎ একদিন রুপেশ্বর থেকে একটি খোলা চিঠি আসে। সেই চিঠিতে অনিল বাগচীর জন্যে অপেক্ষা করছিল ভয়াবহ একটি দুঃসংবাদ।

গফুর সাহেব পরদিন অনিল বাগচীকে সেই দুঃসংবাদ জানালে হঠাৎ করেই অনিল সাহসী হয়ে উঠে। পথে মিলিটারিদের চেকপোস্টসহ সকল পরিস্থিতিকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে সে রুপেশ্বরে রওয়ানা করে। চলমান….

বহুব্রীহি

আমি কিভাবে এই বইটা এতোদিন মিস করে গেছি সেটা চিন্তা করলেই খারাপ লাগছে। অসাধারণ একটা বই।এই বইয়ের প্রতিটা লাইন মজার। ভালো লাগার। মন খারাপের কোনও বিষয় এখানে নেই। মিলি, বিলু দুই বোনেরই অসাধারন বুদ্ধিমত্তা। দুবোনকেই ভালো লেগেছে। আনিসের জন্য প্রথমে মন খারাপ ছিল, সেটাও পরেরদিকে ভালো লাগাতে বদলে যায়। টগর ও নিশার দুষ্টুমিগুলাও ভালো লেগেছে।

আমাদের শাদা বাড়ি

অর্থ মানুনুষকে বদলে দেয় এবং শুধুমাত্র অর্থনৈতিক জীবনযাত্রার বৈশ্লস্টিতেই যে মানুষের আসল রুপ বেরিয়ে আসে তার প্রমান হুমায়ূনের এই বই।জীবনকে তুলে এনেছেন অদ্ভুত এক ছন্দে।কোথাও কোথাও কয়েকটা চরিত্রকে অপ্রাসঙ্গিক মনে হলেও জীবনের মতোই তার স্বাভাবিকতা লক্ষ্য করা যায়। মধ্যবিত্ত চাওয়া পাওয়াকে কেন্দ্র করে এই উপন্যাস হয়ে ওঠে যেন বর্তমানেরই এক উপজীব্য!
গেট খুললেই ভিতরের ঢুকে অসংখ্য গাছপালায় ঢাকা মনোরম সুন্দর একটি বাড়ি, সাদা বাড়ি। তবে এ বাড়ির মালিক রঞ্জুরা না। তারা এই বাড়ির কেয়ার কেয়ারটেকার মাত্র। আর এই বাড়ির মালিক রঞ্জুর বাবার বন্ধু মইনুদ্দীন সাহেব। রঞ্জুদের এমন বাড়ি তৈরি করার মতে টাকা নেই। মইনুদ্দীন চাচার অনেক টাকা। তিনি এখন ইংল্যান্ড থাকেন। তাই এই বাড়িটা দেখাশোনার দায়িত্ব রঞ্জুর বাবার উপর দিয়ে গেছেন।

নবনী

অনেকদিন পর নবনী লিখলাম।
কয়েক বছর ধরে এই কাহিনী মাথায় দিয়ে ঘুরছি। লিখতে যাই, লিখতে পারি না। অথচ পুরো গল্প মাথায় তৈরী হয়ে আছে। এ এক অদ্ভুত অবস্থা। একটা গল্প মাথায় নিয়ে অন্য কিছু কারও মুশকিল। সব সময় মাথায় ভোতা ধরণের যন্ত্রণা হতে থাকে। একসময় ধরেই নিলাম নবনী আর লেখা হবে না। পুরোপুরি ব্যাপারটা মাথা থেকে তাড়িয়ে দিলাম। এক ধরণের তৃপ্তি বোধ করলাম। বাঁচা গেল, নবনী নিয়ে আর যন্ত্রণা করতে হবে না, আর ঠিক তখনি লেখার আগ্রহ ফিরে পেলাম। আমার জন্যে এ এক রহস্যময় ও আনন্দময় অভিজ্ঞতা। আমার পাঠকদের এই অভিজ্ঞতার কথা বলার লোভ সামলাতে পারলাম না।
হুমায়ূন আহমেদ
এলিফেন্ট রোড, ঢাকা।

বাঘবন্দি মিসির আলী

মিসির আলি সিরিজের অন্যতম একটি বই হল বাঘবন্দি মিসির আলি। . প্রকৃতি কিছু মানুষকে বিশেষ কিছু ক্ষমতা দিয়ে পাঠায়।ঠিক যেমন এই গল্পের অন্যতম চরিত্র ফতের মধ্যে দিয়েছেন।কিন্তু সে তার ক্ষমতার অপব্যবহার করেছে।এই ক্ষমতার কারনে সে তার আশেপাশের সবাইকে নিজের প্রতিপক্ষ ভাবতে থাকে। মিসির আলির বাড়িওয়ালার ভাগ্নে হলো ফতে মিয়া। মামার বাসায় ছোটবেলা থেকেই আশ্রিত হিসেবে থাকে।ফতের বদমেজাজি মামা বদরূল সাহেব সবসময় তাকে গালাগালি থেকে শুরু করে মারতে পর্যন্ত দ্বিধাবোধ করেন না। .
মিসির আলি বদরূল সাহেবের বাসায় এসে উঠেছেন ছয় মাস হল।তখন থেকেই দেখছেন ফতে ছেলেটি অন্যরকম। অনেক কিছু অনেক কথা না বলার আগেই সে বুঝে পেলে। এদিকে প্রতিমা, মিসির আলির পেশেন্ট। ছয় বছর আগে তিনি এই মেয়েঠিকে সুস্থ করে তুলেন। হঠাৎই এই মেয়ে কোথা থেকে যেন উপস্থিত হয়েছে। নানাভাবে মিসির আলিকে সে যন্ত্রণা দিচ্ছে। তার যন্ত্রণায় মিসির আলি চারদিক অন্ধকার দেখতে শুরু করেছেন।

কালো যাদুকর

এক নিশ্বাসে বইটা শেষ করলাম। সুপ্তি মেয়েটাকে খুব ভাল লেগেছে। মেয়েটা অন্ধ হলেও অসম্ভব বুদ্ধিমতি। ম্যাজিশিয়ান ছেলের চরিত্রটা অদ্ভুত কিন্তু ভালো লাগার একটা বেপার ওর মধ্যে আছে। প্রথম দুই পাতা পড়ার পর আপনি পুরোটা এক নিশ্বাসে শেষ না করে পারবেন না। অসম্ভব ভালো লেগেছে।

হুমায়ুন আহমেদের প্রথম পড়া বই খুব সম্ভব কালো জাদুকর, সালটা সম্ভবত ২০০০ সালের একটু আগে কিংবা পরে হবে। কৈশোরে পড়া এই বইটি মুগ্ধ করেছিলো। সহজ ভাষা আর সরল বর্ণনাই হয়তো মূল কারণ। যদি ও হুমায়ূন মোহ কেটে গেছে অনেক আগে, তারপরও প্রথম প্রেমের মতো প্রথম পড়া উপন্যাসের প্রতি একটা বাড়তি টান এখনো আছে। আবারও পড়ার আগ্রহ জন্মেছে, দেখতে চাই পাঠকের মৃত্যু ঘটে কিনা?

আশা করছি, হুমায়ূন আহমেদ এর দশজন বইটি পড়ে আপনাদের ভালো লাগবে। হুমায়ূন আহমেদ (Humayun Ahmed) এর অন্যান্য বাংলা বই ডাউনলোড করতে আমাদের সাইট ভিজিট করুন আর দশজন বইটি আপনাদের কেমন লাগলো তা জানতে ভুলবেন না।

Similar titles

ঘনাদাসমগ্র ১ – প্রেমেন্দ্র মিত্র
অশ্লীলতার দায়ে – নারায়ণ সান্যাল
রবো নিশি – মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মিসির আলির অমীমাংসিত রহস্য – হুমায়ূন আহমেদ
তন্দ্রাবিলাস – হুমায়ূন আহমেদ
ওয়ারিশ – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
পা রাখার জায়গা – প্রফুল্ল রায়
অন্তরতমা – সুমন্ত আসলাম
টুকুনজিল – মুহম্মদ জাফর ইকবাল
প্রেম ও প্রয়োজন – আশাপূর্ণা দেবী
ছেলেদের রামায়ণ – উপেন্দ্রকিশোর রায় চৌধুরী
আলো-অন্ধকারে যাই – আনিসুল হক

Leave a comment

Name *
Add a display name
Email *
Your email address will not be published
Website