নূরলদীনের সারাজীবন – সৈয়দ শামসুল হক

নূরলদীনের সারাজীবন pdf বাংলা বই। নূরলদীনের সারাজীবন – সৈয়দ শামসুল হকএর লেখা একটি বাংলা নাটকের বই। তার “নূরলদীনের সারাজীবন” বইয়ের একটি পিডিএফ (pdf) ফাইল ই বুক (eBook) আমরা অনলাইনে খুজে পেয়েছি এবং সৈয়দ শামসুল হক (Syed Shamsul Haque) এর অসাধারণ বইটি আপনাদের মাঝে শেয়ার করছি। আপনারা যেকোন সময় বইটি আমাদের ওয়েব সাইট থেকে ডাউনলোড করে এবং অনলাইনে পড়তে পারবেন।

বইয়ের বিবরণ

  • বইয়ের নামঃ নূরলদীনের সারাজীবন
  • লেখকঃ সৈয়দ শামসুল হক
  • বইয়ের ধরণঃ নাটক
  • প্রকাশিতঃ চারুলিপি প্রকাশন
  • প্রকাশকঃ ১৯৯১
  • পাতা সংখ্যাঃ ৯৪ টি
  • সাইজঃ ১৫ এমবি

নূরলদীনের সারাজীবন বই রিভিউঃ

সৈয়দ শামসুল হক এর নূরলদীনের সারাজীবন বাংলা বইটি সম্পুর্ণ ফ্রীতে ডাউনলোড এবং পড়তে পারবেন। আমরা সৈয়দ শামসুল হক নূরলদীনের সারাজীবন বই এর পিডিএফ কপি সংগ্রহ করেছি এবং আপনাদের মাঝে তা শেয়ার করছি। নুরুলদীন রংপুর এর একজন কৃষক নেতা। বাংলায় ১১৮৯ সনে জমিদার এবং ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে মজলুম কৃষক জনতাকে এক করছেন। বাল্যকালে জমিদার এর খাজনা দিতে না পারায় জমিদাররা হালের বদল কেরে নেয়।বাবা বাধ্য হয়ে কাধে তুলে নেন লাঙ্গল জোয়াল। সেই ভাবেই বাবার মৃত্যু হয়। তারপর বাল্যকাল হতেই অত্যাচারিত কৃষকদের একত্রিত করতে থাকে এবং এ কাজে তাকে সহয়তা করে তার বন্ধু আব্বাস। শেষে জমিদার এর সাথে লড়াই সংগ্রামে তার মৃত্যু হয়।

নিচের লিংক থেকে ১৫ এমবির বইটি ডাউনলোড করে কিংবা অনলাইনে যেকোন সময় সৈয়দ শামসুল হক এর এই জনপ্রিয় নাটকের বইটি পড়ে নিতে পারবেন।

ডাউনলোড

সৈয়দ শামসুল হক বিংশ শতাব্দীর শেষাভাগে সক্রিয় একজন প্রখ্যাত বাংলাদেশী সাহিত্যিক। কবিতা, উপন্যাস, নাটক, ছোটগল্প, অনুবাদ তথা সাহিত্যের সকল শাখায় সাবলীল পদচারণার জন্য তাকে ‘সব্যসাচী লেখক’ বলা হয়। সৈয়দ শামসুল হক ১৯৩৫ খ্রিষ্টাব্দে ২৭ ডিসেম্বর বাংলাদেশের কুড়িগ্রাম জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা সৈয়দ সিদ্দিক হুসাইন ও মা হালিমা খাতুন। সৈয়দ হক তার বাবা মারা যাবার পর অর্থকষ্টে পড়লে চলচ্চিত্রের জন্য চিত্রনাট্য লেখা শুরু করেন। ১৯৫৯ খ্রিষ্টাব্দে তিনি মাটির পাহাড় চলচ্চিত্রের চিত্রনাট্য লিখেন। সৈয়দ শামসুল হক মাত্র ২৯ বছর বয়সে বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ করেছিলেন। এছাড়া বাংলা সাহিত্যে অবদানের জন্য ১৯৮৪ খ্রিষ্টাব্দে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রদত্ত সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান একুশে পদক এবং ২০০০ খ্রিষ্টাব্দে স্বাধীনতা পুরস্কার লাভ করেন। ২০১৬ সালের ১৫ এপ্রিল ফুসফুসের সমস্যা দেখা দিলে তাকে লন্ডন নিয়ে যাওয়া হয়। ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৬ (১২ আশ্বিন ১৪২৩ বঙ্গাব্দ) ঢাকার ইউনাইটেড হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

Share